Consensus 2019 ও বিটকয়েন

Consensus 2019 এর আয়োজক CoinDesk নামের একটি প্রতিষ্ঠান বা কম্পানি, যা ২০১৭ সাল থেকে সূচনা হয়। বিগত ২০১৭ এবং ২০১৮ সালে Consensus যতটা না আলোচিত হয়েছে তার চেয়ে বেশি আলোচিত এই বছর অর্থাৎ ২০১৯ সাল।

কি ছিলো ২০১৯ সালের Consensus এর চমক?

কি ছিলো বলার চেয়ে বলতে হয় কি ছিলো না এই বছর Consensus 2019 এর চমক হিসেবে। এই বছর Consensus এর শুরু থেকেই চমক। Consensus কনফারেন্সের প্রথম দিন থেকেই বিটকয়েনের দাম বাড়তে থাকে। যেখানে ৫০০০/- ডলার ক্রস করে সামনে বাড়া বিটকয়েনের জন্য কষ্ট হয়ে দাড়িয়ে ছিলো, সেখানে Consensus এর পরের দিন হতে না হতেই ৮০০০/- ডলারে গিয়ে পৌছে।

Consensus এর প্রথম চমক হচ্ছে অপ্রতাশিত ভাবে গোপন একটি ব্যনার প্রকাশ। আর তা হচ্ছে eBay এর ব্যনার যা Consensus এর রিসিপশন বুথে দেখা যায়।

Consensus 2019 ও বিটকয়েন

অর্থাৎ এর অর্থ সুস্পষ্টযে eBay খুব শ্রীঘ্রই বিটকয়েন পেমেন্ট গ্রহন করতে যাচ্ছে। যদিও eBay এই রকম কোন ঘোষনাই Consensus 2019 করে নাই। তবে তাদের এই ব্যনার যেই ইঙ্গিত বহন করে তাতে কোন সন্দেহ নেই যে খুব দ্রুতই eBay বিটকয়েন পেমেন্ট চালু করতে যাচ্ছে।

Consensus 2019 এর দ্বিতীয় চমক হচ্ছে আরো মজার আর তা হচ্ছে Wholesale রিটেইলার বিটকয়েন পেমেন্ট গ্রহন করার ঘোষনা দিয়েছে। অর্থাৎ এখন থেকে Wholesale থেকে বাজার করতে পারবেন বিটকয়েন পেমেন্টের মাধ্যমে।

সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, Wholesale হচ্ছে Amazon এর প্রতিষ্টান। এর মানে দাড়াচ্ছে এখন থেকে Amazon বিটকয়েন পেমেন্ট গ্রহন করবে। আর Amazon যে কতবড় একটি কম্পানি তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

Consensus 2019 এর তৃত্বীয় চমক হচ্ছে Starbucks এর বিটকয়েন পেমেন্ট গ্রহন করার ঘোষনা। Starbucks একটি আমেরিকান ফাস্ট ফুডস্‌ কম্পানি। আর মজার বিষয় হচ্ছে এটি চাইনার তৃত্বীয় বৃহত্তম ফাস্ট ফুডস্‌ কম্পানি।

এছাড়া আরো বেশ কিছু রিটেইলার কম্পানি বিটকয়েন পেমেন্ট গ্রহনের ঘোষনা দিয়েছে এই বছরের Consensus 2019 -এ। Consensus শেষ হবার পরে আরো বেশ কিছু চমকপ্রদ ঘোষনা আসতেই আছে।

Consensus 2019 এর পরের চমকপ্রদ নিউজ

আমরা অনেকেই AT&T কম্পানির নাম শুনে থাকবো। AT&T আমেরিকার একটি টেলিকমিউনিকেশন কম্পানি। AT&T এখন থেকে তাদের মোবাইল ইজারদের কাছ থেকে বিটকয়েনের মাধ্যমে বিল গ্রহন করার ঘোষনা দিয়েছে। AT&T শুধু মোবাইল নেটওয়ার্ক কম্পানি নই তারা মাল্টিমিডিয়া সার্ভিস প্রোভাইডারও।

এছাড়া গত ২৪ তারিখের বিবিসির খবর অনুযায়ি ২০২০ সালে ফেসবুক তাদের নিজস্ব ক্রিপ্টোকারেন্সি বের করতে যাচ্ছে। তাদের কয়েনের নিক নেম দেওয়া হবে “গ্লোবাল কয়েন”। আর ফেসবুক তাদের কয়েন মার্কেটে নিয়ে আসার জন্য অলরেডি কয়েনবেজ, জিমিনি, কারাকেন এক্সচেন্জ গুলোর সাথে আলোচনা করতে ‍শুরু করেছে।

উপরুক্ত বিষয় গুলো থেকে বোঝাই যাচ্ছে ২০১৯ এর শেষ এবং ২০২০ এর শুরু থেকে বিটকয়েন কতটা সকলের নজর কাড়তে যাচ্ছে। এইদিকে ম্যাকাফি এন্টিভাইরাসের মালিক জন ম্যাকাফি অনেক আগেই একটি সাংঘাতিক প্রেডিকশন করে রেখেছেন। তিনি বলেন ২০২০ সালের শেষের দিকে বিটকয়েনের প্রাইস ১,০০০,০০০/- ডালারে গিয়ে পৌছাবে। যা তিনি ২০১৭ সালেই বলেছিলেনে। তবে আরো পরিস্কার করতে তিনি বলেন বিটকয়েনের প্রাইস ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ সালে ১,০০০,০০০/- ডলারে গিয়ে দাড়াবে।

২০১৭ সালের টুইটে চ্যলেন্জ করে বলেন যদি তার প্রেডিকশন ঠিক না হয় তবে তিনি জাতীয় টেলিভিশনের সামনে নিজের ***ঙ্গ নিজেই কেটে খাবেন।

আার যাই হোক বিটকয়েন যে এখন অনেক শক্তিশালী তা অস্বীকার করার কোন উপাই নাই।

বি.দ্রঃ পোষ্টের দ্বারা বিটকয়েনে ইনভেষ্ট করার জন্য কাউকে উৎসাহিত করা হচ্ছে না। এখানে উল্লেক্ষ যে, বিটকয়েন ট্রেডিং অনেক ঝুকিপূর্ন।

মন্তব্য